গাজীপুরে জনসভা-মিছিল নিষিদ্ধ

ভোটের আগে-পরে ৪৮ ঘণ্টা গাজীপুরে জনসভা-মিছিল নিষিদ্ধ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে গাজীপুর জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনে ভোটগ্রহণ ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সকল প্রকার জনসমাগম ও মিছিল-মহড়া নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৭৮ (১) অনুযায়ী গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃ আলম হোসেন স্বাক্ষরিত জারি করা গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গাজীপুর জেলার ১৯৪ গাজীপুর-১, ১৯৫ গাজীপুর-২, ১৯৬ গাজীপুর-৩, ১৯৭ গাজীপুর-৪ এবং ১৯৮ গাজীপুর-৫ সংসদীয় আসনের নির্বাচনী এলাকায় ভোটগ্রহণ শুরুর পূর্ববর্তী ৪৮ ঘণ্টা এবং ভোটগ্রহণ শেষে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত সকল ধরনের জনসভা আহ্বান, সভা-সমাবেশ আয়োজন বা তাতে অংশগ্রহণ, মিছিল কিংবা শোভাযাত্রা আয়োজন ও অংশগ্রহণ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে। এ নিষেধাজ্ঞা আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বিকাল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
এছাড়া গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৭৮ (১ক) অনুযায়ী উল্লিখিত সময়ের মধ্যে কোনো ব্যক্তি আক্রমণাত্মক বা বিশৃঙ্খলামূলক আচরণ করতে পারবেন না, ভোটার বা নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা হুমকি দেওয়া যাবে না এবং কোনো ধরনের অস্ত্র বহন, শক্তি প্রদর্শন বা অস্ত্রের ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে।
গণবিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৭৮ (২) অনুযায়ী উক্ত বিধানসমূহ লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ক্ষেত্রে দোষী প্রমাণিত হলে কমপক্ষে দুই বছর থেকে সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার বিধান রয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, নেতা-কর্মী ও সর্বসাধারণকে আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে তার দায়ভার সংশ্লিষ্টদেরই বহন করতে হবে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে সক্রিয় থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গাজীপুরে জনসভা-মিছিল নিষিদ্ধ

ভোটের আগে-পরে ৪৮ ঘণ্টা গাজীপুরে জনসভা-মিছিল নিষিদ্ধ

Update Time : ০৭:২২:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে গাজীপুর জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনে ভোটগ্রহণ ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সকল প্রকার জনসমাগম ও মিছিল-মহড়া নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৭৮ (১) অনুযায়ী গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃ আলম হোসেন স্বাক্ষরিত জারি করা গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গাজীপুর জেলার ১৯৪ গাজীপুর-১, ১৯৫ গাজীপুর-২, ১৯৬ গাজীপুর-৩, ১৯৭ গাজীপুর-৪ এবং ১৯৮ গাজীপুর-৫ সংসদীয় আসনের নির্বাচনী এলাকায় ভোটগ্রহণ শুরুর পূর্ববর্তী ৪৮ ঘণ্টা এবং ভোটগ্রহণ শেষে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত সকল ধরনের জনসভা আহ্বান, সভা-সমাবেশ আয়োজন বা তাতে অংশগ্রহণ, মিছিল কিংবা শোভাযাত্রা আয়োজন ও অংশগ্রহণ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে। এ নিষেধাজ্ঞা আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বিকাল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
এছাড়া গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৭৮ (১ক) অনুযায়ী উল্লিখিত সময়ের মধ্যে কোনো ব্যক্তি আক্রমণাত্মক বা বিশৃঙ্খলামূলক আচরণ করতে পারবেন না, ভোটার বা নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা হুমকি দেওয়া যাবে না এবং কোনো ধরনের অস্ত্র বহন, শক্তি প্রদর্শন বা অস্ত্রের ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে।
গণবিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৭৮ (২) অনুযায়ী উক্ত বিধানসমূহ লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ক্ষেত্রে দোষী প্রমাণিত হলে কমপক্ষে দুই বছর থেকে সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার বিধান রয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, নেতা-কর্মী ও সর্বসাধারণকে আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে তার দায়ভার সংশ্লিষ্টদেরই বহন করতে হবে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে সক্রিয় থাকবে বলে জানানো হয়েছে।